2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

হযরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতির অত্মদর্শন

Price:
৳500    ৳ 425.00

পেইজ:   399

ওজন:   0.4


Charge:
ঢাকা সিটির মধ্যে ডেলিভারি চার্জ 59 টাকা
ঢাকা সিটির বাইরে ডেলিভারি চার্জ 99 টাকা

                                                        পটভূমি

সুলতানুল হিন্দ গরীবে নওয়াজ খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি সানযারি (রা.) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম প্রচারের অন্যতম দিশারী, হেদায়াতের মহান কাণ্ডারী ও বিশ্বপ্রসিদ্ধ আউলিয়ায়ে কামেলদের শীর্ষস্থানীয়। তিনি তরিকতের শিরোমণি, রূহানী জগতের বাদশা ও প্রেমিককুলের সম্রাট।

মহান এই বিশ্ববরেণ্য আউলিয়ার পিতৃপ্রদত্ত নাম মঈনুদ্দীন, খাজা তাঁর লকব এবং চিশতি তাঁর তরিকতের নাম। তিনি ১১৪২ খ্রিস্টাব্দ বা ৫৩৬ হিজরি সনে সানযারি নামক (ইরান) স্থানে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম ধনী বনিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা সৈয়দ খাজা গিয়াসুদ্দীন (রা.)ও ছিলেন একজন মহান বুজুর্গ ও অলিয়ে কামিল। পিতৃকুল ও মাতৃকুল উভয় দিক থেকেই খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি ছিলেন আল-হাসানী ওয়াল হুসাইনী সৈয়দ খান্দানভুক্ত। মাত্র ১৪ বৎসর বয়সে তিনি পিতৃহারা হন। পিতার ইন্তেকালের পর তিনি একটি ফলের বাগান ও একটি গমপেষা যাঁতা উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করেন। এক অলৌকিক ঘটনার ভেতর দিয়ে তাঁর রূহানী পথ ও আধ্যাত্মিক ক্ষমতা লাভের সূত্রপাত ঘটে। তিনি একদিন বাগানে একটি গাছের নীচে বিশ্রাম করছিলেন। এমন সময় বিখ্যাত মঞ্জুব ফকির ইবরাহীম কানদুযী (রা.) সেখানে উপস্থিত হন। খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি (রা.) অত্যন্ত আদবের সাথে তাঁকে বিশ্রাম স্থানে উপবেশন করতে দিয়ে কিছু আঙ্গুর ফল খেতে দেন। মঞ্জুব ফকির ফল ভক্ষণ করে নিজ থলে থেকে কিছু শস্যের ভূষি, মতান্তরে শুষ্ক খেজুর বের করে মুখের মধ্যে চিবিয়ে সেগুলো যুবক মঈনুদ্দীনের মুখে পুরে দিয়ে সেখান থেকে বিদায় গ্রহণ করেন। সঙ্গে সঙ্গে খাজা মঈনুদ্দীন চিশতির অন্তরে এক দারুণ অলৌকিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। মুহূর্তেই তিনি মজুবির হালতে খোদার রহস্য ও সৃষ্টি জগতের নিগূঢ়তত্ত্বে ডুবে যান। বহুক্ষণ পর তার স্বাভাবিক জগতের জ্ঞান ফিরে আসে। তিনি বুঝতে পারেন, আগত মঞ্জুব ফকির কোনো সাধারণ ব্যক্তি নন। এরপর থেকে তিনি নিয়মিত খোদার ধ্যানে মগ্ন থাকেন । ঐ খাদ্য গ্রহণের দ্বারাই তিনি অলৌকিকভাবে আল্লাহর মহান অলিয়ে কামেল হিসেবে মনোনীত হয়ে হযরত মুহাম্মদ সা. কর্তৃক উম্মতে মুহাম্মদীর হেদায়েতের আলোকবর্তিকারূপে ভারতবর্ষের জন্য নির্বাচিত হন।

এই ঘটনার পর তাঁর ভেতর ব্যাপক পরিবর্তন শুরু হয়ে যায়। তিনি আল্লাহর ওয়াস্তে সকল কিছু বিলিয়ে দিয়ে সম্পূর্ণ নিঃসম্বল অবস্থায় রাস্তায় বের হয়ে যান। অতঃপর সমরকন্দ ও বোখারায় গিয়ে কুরআন, হাদিস, তাফসীর, ফিকাহ্ ইত্যাদি বিষয়ে অগাধ জ্ঞান লাভ করেন। পরে তিনি ইলমে মারিফাত অর্জন করার উদ্দেশ্যে বহির্গত হন। পথিমধ্যে তিনি নিশাপুরের অন্তর্গত হারুন' নামক এক শহরে উপস্থিত হন। এখানে বিখ্যাত তাপস ও অলিয়ে কামিল হযরত ওসমান হারুনী (রা.)-এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে বায়আত গ্রহণ করে তাঁর মুরীদ হন। বিশ বছর ধরে তিনি পীরের খেদমতে থেকে ইলমে মারেফাতের গুপ্তরহস্য প্রাপ্ত হন এবং পরে মক্কাশরিফে গিয়ে হজ্বব্রত পালন করেন। এ সময় তিনি মদিনা মনোয়ারায় প্রিয়নবীর রওদ্বা যিয়ারত করেন এবং পরে বাগদাদ রওনা হন। পথিমধ্যে তিনি সানযার শহরে অবস্থানরত হযরত শায়েখ নজমুদ্দীন কোবরা (রা.)-এর সাথে দেখা করেন। অতঃপর বাগদাদে হযরত আলী ইউসুফ হামদানী (রা.)-এর সাথে সাক্ষাত করার পর তাবরিজ রওনা হন এবং সেখানে হযরত আবু সাঈদ তাবরিজ (রা.) নামক এক বিখ্যাত তাপসের সাথে দেখা করেন। এরপর তিনি ইস্পাহানে শায়েখ মাহমুদ ইস্পাহানী নামক বিখ্যাত দরবেশের সাক্ষাত লাভ করেন। এখানে তাঁর প্রধান খলিফা হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন বখতীয়ার কাকী (রা.) তাঁর কাছে বায়আত গ্রহণ করেন। এখান থেকে তিনি খোরাসান হয়ে সাতরাবাদে হযরত নাসির (রা.) নামক একজন অলির সঙ্গ লাভ করেন। এখান থেকে তিনি হিরাট হয়ে সবুজওয়ার উপস্থিত হন। সেখানকার শাসনকর্তা ইয়াদগার মুহাম্মদ ছিলেন বেদ্বীন বদস্বভাবসম্পন্ন লোক। খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি (রা.)-এর চারিত্রিক দৃঢ়তা, মাধুর্য ও অনন্যসাধারণ কেরামত (অলৌকিক কার্যাদি) দর্শনে তিনি তাঁর কাছে মুরিদ হন এবং সবকিছু ত্যাগ করে মুরশিদের নির্দেশে হেসা নামক স্থানে গমন করেন; অতঃপর সেখানে মানুষকে হেদায়াত কাজে নিয়োজিত হন। এরপর খাজা সাহেব সজওয়ার হতে বলখে গিয়ে হযরত শায়েখ আহমদ খিজরিয়া নামক একজন বিখ্যাত সুফি ও দরবেশের সাথে কিছুদিন অতিবাহিত করেন। এ সময় বলখের বিখ্যাত দার্শনিক যিয়াউদ্দিন তার কাছে মুরিদ হন এবং খেলাফত লাভ করেন। পরে তিনি গজনি গমন করেন এবং সুবিখ্যাত অলিয়ে কামিল শায়েখ আব্দুল ওয়াহেদ গজনবি (রা.)-এর সাহচর্য লাভ করেন। এভাবে তিনি কয়েকশত অলি-আল্লাহর সাহচর্যে আসার সুযোগ লাভ করেছিলেন। এ সময়েই তিনি বাগদাদে অবস্থানকালে বড়পীর গাউসে পাক হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রা.)-এর সাহচর্যে আসেন। গাউসে পাক (রা.) খাজা মঈনুদ্দীন চিশতির বেলায়াত জ্ঞান ও আধ্যাত্মিক উচ্চ দরজা দর্শনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে তৎপ্রচারিত 'কাদিরীয়া' তরিকার কলেমা শরিফের খাস তালিম

Contact Us:
Inside Dhaka:
2-3 working days
Outside Dhaka:
3-5 working days
Cash on Delivery :
Available
Refund Rules:
Within 7 DaysView Policy
Payment: