2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

ইসলাম ও অন্যসব ধর্মে নারী

Price:
৳500    ৳ 450.00

পেইজ:   560

ওজন:   1kg


প্রকাশক:   

ক্যাটাগরি:   

Charge:
ঢাকা সিটির মধ্যে ডেলিভারি চার্জ 59 টাকা
ঢাকা সিটির বাইরে ডেলিভারি চার্জ 99 টাকা

পৃথিবীর ইতিহাস ও নানা ধর্ম অধ্যয়ন করলে এ কথা যথার্থই প্রমাণিত হয় যে, ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্মে নারীর অধিকারের ক্ষেত্রে তেমন কোন সুস্পষ্ট বিধান আরোপিত হয়নি। প্রাচীন গ্রীক সমাজে নারী ছিল অত্যন্ত ঘৃণিত, অবহেলিত ও অসামাজিক বস্তু। বিখ্যাত দার্শনিক সক্রেটিস নারী সম্পর্কে বলেন, 'নারী হচ্ছে জগতের যাবতীয় অনর্থ ও সর্বনাশের মূল। কারণ সে এমন একটি বিষাক্ত বৃক্ষ যার বাহিরটা সুন্দর মাকাল ফল স্বরূপ-পাখিরা (পুরুষ) খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মারা যায়। প্রাচীন চীনা শিলালিপিতে নারীকে দুঃখের পানি বলে বর্ণনা করা হয়েছে। নারীসঙ্গ লাভে কোনদিন নির্বাণ লাভ করা যায় না বলে বৌদ্ধ ধর্মে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাচীন হিব্রু শিলালিপির মতে ইহুদী ধর্মে নারী চিরন্তন অভিশপ্ত। খ্রিস্ট ধর্মেও নারীকে পাপের উৎস হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রাচীন ধর্মে নারী জাতির প্রতি যে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে তা ঐতিহাসিকভাবে সত্য। পরবর্তীতে শিক্ষিত নারীরা প্রবল আন্দোলনের ঝড় তুলে তাদের অধিকার কিছুটা হলেও আদায় করতে সক্ষম হয়েছেন। তবে একথা অনুমিত যে, বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ প্রভাবে সমাজে নারীরা নিষ্পেষিত হয়েছিল। প্রাচীনকালে নারীদের অবস্থান ছিল এক অবর্ণনীয় পাপের জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডলিতে। অসহায় ও সম্বলহীন নারীদের দুর্দশা আমরা প্রাচীন সমাজেও দেখতে পাই। ইসলাম নারীদেরকে পাপের এ অগ্নিকুগুলি থেকে উদ্ধার করার জন্য বাস্তবধর্মী বিধান প্রবর্তন করে। মূলত ইসলাম নারী-পুরুষের মাঝে সমতা বিধান করেছে। কুরআন পাকে বলা হয়েছে, তিনি তোমাদের একই ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তা থেকে তার সহধর্মিণী সৃষ্টি করেছেন এবং এ জুটি থেকে সর্বত্র পুরুষ ও নারীর ব্যাপক বিস্তৃতি হয়েছে। এ সম্পর্কে কুরআন পাকে আরো বলা হয়েছে, 'নারী তোমাদের জন্য, তোমরা তাদের জন্য। মহান আল্লাহ পাক নারীদের অধিকার সম্পর্কে আরো বলেন, 'নারীগণের ওপর তোমাদের যেরূপ অধিকার আছে, তোমাদের ওপর নারীগণেরও অনুরূপ অধিকার আছে।' আল-কুরআন এভাবে নারীদের অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য মানবজাতিকে নির্দেশ প্রদান
করেছে।

ষণের অত্যাচার নিপীড়ন ত
তা করে বাণিত হন। তাদের সম্মান, ই
অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য তিনি মহান পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি ঘোষণা করেন, 'নারী হচ্ছে পুরুষের অর্ধাংশ। সন্তানের বেহেশত তার মায়ের পদতলে। এ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ নারী, সে-ই উত্তম, যে তার স্ত্রীর প্রতি উত্তম ব্যবহার করে।' এভাবে কুরআন-হাদিস নারী জাতিকে ইহজগত হতে পরজগত পর্যন্ত শ্রেষ্ঠ আসন দান করেছে। রাসুলে করিম (দ.) এভাবে নারীর অধিকার অতিকায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এই অবদান সর্বজনস্বীকৃত। গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থাপনায় নর-নারীর অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ দুই গোষ্ঠীর সুমহান কীর্তির ফসল সুন্দর এ পৃথিবী। তাই আমাদের জাতীয় কবি কাজী ইসলাম যথার্থই বলেছেন,
'বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর।
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর।'
বর্তমান যুগে এসে নারীরা যেহেতু সম্মান ও মর্যাদার অধিকারিত্ব লাভ করেছে ইসলাম এবং নবী মহাম্মদ (দ.)-এর অবদান তার অন্যতম। কিন্তু মানব সৃষ্টির প্রাথমিক যুগ থেকে তাদের অবস্থা এমন ছিল না। নারীদের শোচনীয় পরিণতি ঘটে অস্বকার যুগে। এ সময় কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেয়া, নারীদের সম্পদের অধিকার হরণ, বন্ধকী সম্পত্তিতে পরিণত করা, ভোগ বিলাসের পণ্য হিসেবে জরা-বিক্রয়, ধর্ষণ, নির্যাতন করা ছিল নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। ফলে পুরুষশাসিত সমাজে নারীদের অন্যায়ভাবে কঠোর হস্তে দমন করার এক জঘন্য ও বর্বর দৃষ্টিভঙ্গি সূচিত হয়, যা আজও আমাদের সমাজে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিদ্যমান। নারীদের প্রতি এসিড নিক্ষেপ, ধর্ষণ, নির্যাতন, যৌতুকের জন্য খুন বা হত্যা, কথায় কথায় তালাক, বিয়েতে কন্যার মতামত না দেয়া এবং মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের মত অমানবিক ঘটনা আমাদের সমাজে অহরহ ঘটছে। এখনও আমরা নারী শিক্ষাকে ঘৃণা হিসেবে বিবেচনা করি। তাদেরকে পণ্য হিসেবে গ্রহণ করি। একমাত্র ইসলামই নারীদের অধিকার সম্পর্কে সুস্পষ্ট বিধান আরোপ করেছে। পবিত্র কুরআন পাকে ও হাদিস গ্রন্থে তাদের জন্য নির্দেশগুলো এমনভাবে এসেছে যাতে নারীরা স্বীয় অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়। নারী শিক্ষা সম্পর্কে রাসুল (দ.) বলেছেন, “তলাবুল ইলমি ফারিদাতুন আলা কুল্লি মুসলিমিন ওয়া মুসলিমাতুন' অর্থাৎ প্রতিটি মুসলমান নর-নারীর জন্য শিক্ষা অর্জন অতি অবশ্যই কর্তব্য।'
ইসলাম নারী-পুরুষকে বন্ধু হিসেবে ঘোষণা দিয়ে বলেছে, "বিশ্বাসী পুরুষ ও মারী একে অপরের বন্ধু। কুরআন পাকে বলা হয়েছে, ‘পুরুষ হোক বা নারী হোক আমি তোমাদের কারোর সৎ কাজ বৃথা যেতে দেব না।' এখানে নারীর চেয়ে পুরুষকে কোন শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করা হয়নি বরং নারী-পুরুষকে সমতার বিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ নারী-পুরুষ উভয়ে সৎকাজ, সম্মান, ইজ্জত, মর্যাদা ও অধিকারের ক্ষেত্রে সমান দাবিদার। বিশ্বাস, নারীরা গুণবতী।

Contact Us:
Inside Dhaka:
2-3 working days
Outside Dhaka:
3-5 working days
Cash on Delivery :
Available
Refund Rules:
Within 7 DaysView Policy
Payment: