আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যেদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিন নূরিল আনওয়ারি ওয়া সিররিল আসরারি ওয়া সাইয়্যেদিল আবরারি ওয়ালিহি ওয়াসাল্লিম
আল্লাহ তায়ালার জন্য সমস্ত প্রশংসা যিনি জগত সমূহের মালিক। হাজারও দরূদ ও সালাম জানাই নূর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে, যিনি খাতামুন নাবীয়্যিন, সায়্যেদুল মুরসালীন, অসংখ্য ও অগণিত মু'জিযার অধিকারী, যাকে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন শরীফে নূর ও জগতসমূহের রহমত বলে ঘোষনা করেছেন। কুরআনে যার আনুগত্য ও মুহাব্বত করার জন্য বারবার তাগিদ করা হয়েছে।
এই ফেতনা ফ্যাসাদের যুগে আমরা রাসূলের আনুগত্যকে ভুলে যাচিছ। অথচ কুরআন শরীফে রাসূলের আনুগত্য করার বারবার তাগিদ এসেছে। শুধু তাই নয় যেখানে আল্লাহ তায়ালার আনুগত্যের কথা এসেছে, সেখানেই রাসূলের আনুগত্যের কথা এসেছে। কেননা আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য একাকার অর্থাৎ রাসূলের আনুগত্যই হলো আল্লাহ তায়ালার আনুগত্য। তাই অত্র গ্রন্থে কুরআন শরীফে ০৩টি আয়াত বর্ণনা করে এর ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
প্রথম আয়াতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আনুগত্য এবং শাফায়াত নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সেই সাথে হায়াতুন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রসঙ্গটিও আলোচনা করা হয়েছে।
দ্বিতীয় আয়াতে প্রমান করা হয়েছে, নবীজির বান্দা বা দাসই হলো আল্লাহর বান্দা বা দাস। তাই অনেকে নবীজিকে নিজের গোলাম মনে করে নাম রাখেন আবদুল মুস্তফা, গোলাম রাসূল, আবদুন নবী ইত্যাদি। আবার অনেকে বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে নিজেকে আউলিয়া কেরামের গোলাম বলে থাকে। অথচ ওহাবীরা এর বিরুদ্ধে শিরক ও কুফরের ফতোয়া দিয়ে থাকে। তাই কুরআন, হাদিস ও যুক্তির সাথে যাথে ওহাবীদের কিতাব হতে এর দাতভাঙ্গা জবাব প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া আল্লাহ তায়ালার রহমত ও মাগফিরাত সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়েছে।
