2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

সৃষ্টি ও স্রষ্টার রহস্য

Price:
৳300    ৳ 285.00

পেইজ:   296

ওজন:   1kg


লেখক:   

প্রকাশক:   

ক্যাটাগরি:   

Charge:
ঢাকা সিটির মধ্যে ডেলিভারি চার্জ 59 টাকা
ঢাকা সিটির বাইরে ডেলিভারি চার্জ 99 টাকা

অপ্রাপ্ত বয়স থেকেই ভাবতাম আল্লাহ কিভাবে এতো মানুষের কথা শুনেন? কি করে তাদের ন্যায়, অন্যায়ের খবর রাখেন? দু'চোখ হলে এতো কিছু দেখেন কি করে? মানুষ রাতে দিনে, গোপনে কিংবা প্রকাশ্যে কত কিছুই না করে-এর প্রতিদান দেয়া একজনের (আল্লাহর) পক্ষে কি করে সম্ভব? হাশরের মাঠে বিশাল জনসমুদ্রের মধ্যে কে পাপী, কে নেককার তা পার্থক্য করে জাহান্নাম কিংবা জান্নাতে প্রেরণের সময় তাদের শাস্তির অথবা শান্তির উপাদান, কোথেকে দিবেন? এগুলো কি কোন রাজ ভাণ্ডারে পূর্ব থেকে মওজুদ আছে? এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড যে উপাদান দিয়ে তৈরী সেগুলো কোথায় ছিল? এগুলো কি আদি হতে বিরাজিত ছিল? থেকে থাকলে কিভাবে, কোথায় ছিল? অথবা না থেকে থাকলে সেগুলো সৃষ্টি হলোই বা কিভাবে? নূর নামের যে পবিত্র সত্তা দিয়ে এ বিশ্বজগতের সকল কিছু পয়দা করলেন, সে সত্তাই বা কি জিনিস? মানুষের সুকৃতি (পুণ্য) ও দুষ্কৃতির (পাপকণা) নামের যে উপাদান মিজানের পাল্লায় ওজন করা হবে, সেগুলোর কি কোন অস্তিত্ব আছে?


এ পৃথিবী আখেরাতের কর্মক্ষেত্র বিধায় সেগুলো কি পৃথিবীর থেকে উৎপন্ন হয়ে কোথাও গোপনে গিয়ে জমা হচ্ছে। গতিশীল গাড়ি কিংবা অন্যান্য মেশিনারীজ (যন্ত্রপাতি) থেকে কালো ধোঁয়া বের হয় আবার পানির স্রোত থেকে প্রযুক্তির মাধ্যমে উজ্জ্বল সত্তাও (বিদ্যুৎ) তৈরী করা যায়। এই পৃথিবীর একটি কণাও স্থিতিশীল নয়। আমরা এই পৃথিবীর বাসিন্দা। সে হিসেবে আমরাও কর্মের দায়ে গতিশীল থাকি। তাছাড়া আমাদের জীব কোষের অণু-পরমাণুগুলো পৃথিবীর আপেক্ষিক গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে এমনিতেই তাকে গতিশীল আবার এর ভেতর দিয়ে মনের আবেগ কর্ণফুলী নদীর স্রোতের মতো প্রবাহিত হলে তার প্রতিটি অণু-পরমাণুতে সৃষ্টি হয় উত্তেজনা। ফলে সংশ্লিষ্ট অঙ্গ প্রত্যঙ্গ মনের আবদার রাখতে গিয়ে গতির পোশাক পরে কর্মে লেগে যায়। এতে দেহ প্রচুর জ্বালানী শক্তি ব্যয় করে। গাড়ি যেমন পেট্রোল, ডিজেল খেয়ে গতিশীল হয়, প্রচুর লনায় পৃথিবীর খাদ্যের উপাদান থেকে মানুষ জ্বালানী শক্তি পায়। মানুষের বিকীর্ণ জ্বালানী শক্তি (কর্মশক্তি) পৃথিবীর আনাচে কানাচে কোথায়ও জমা থাকে না। এগুলো ক্ষণিকেই অদৃশ্য হয়ে কোথায় যেন পালিয়ে যায়। এই বিকীর্ণ কর্মশক্তি কি কালো ধোঁয়ার মতো কিংবা জীবাণুতুল্য কোন উপাদানঃ এগুলোর সাথে কি পাপ-পুণ্যের কোন সম্পর্ক আছে?


আল্লাহই যে বিশ্বের আদি সত্তা এর প্রমাণ কি? তিনি কোথা হতে কিভাবে এই বিশ্ব জগতকে নিয়ন্ত্রণ করছেন? তিনি বর্তমানে আমাদের থেকে গুপ্ত থাকার কারণই বা কি? বিশ্ব প্রভু রাজাধিরাজ কাছে আসলে কিংবা দূর থেকে দেখা দেয়াতেই বা সমস্যা কিসের? আল্লাহ কি মানুষের মতো পাপ (অন্যায়) ক্ষমা করে দেন? বিবর্তনের মাধ্যমেই কি পৃথিবীতে আদি মানব মানবীর আবির্ভাব হয়েছিল? আদম (আ) হাওয়া কি স্বর্গ মুলুক থেকে ধরার রাজ্যে নেমে এসেছেন?


ইত্যাদি..... ইত্যাদি অগণিত জটিল জটিল প্রশ্ন আমার মনে কেন জানি সেই বয়স থেকেই উদয় হতো। কাজে অকাজে পথ চলার সময়ও আমি এসব নিয়ে ভাবতাম। কিন্তু আমার বিদ্যা বুদ্ধির দৌড় খুব সীমাবদ্ধ ছিল। সেজন্য এই ছোটখাট বুদ্ধির খুঁটি দিয়ে সাগরের মতো কূলহীন প্রশ্নের জবাব পাওয়া সম্ভব ছিল না। তবু আমি সাঁতরাতে থাকি কূল পাওয়ার জন্য। একসময় আল্লাহর মহিমায় সাঁতরাতে সাঁতরাতে ঐ সাগরের মাঝেও আমি আলোর ঝিলিক দেখতে পাই। তখন থেকেই আমার হৃদয়ের দরটা একটু ফাঁক হয়। এতে সেই অন্ধকার ফুটিয়ে আলোর কিরণ পড়ে। ফলে মনের সংকীর্ণতাও কিছুটা কেটে যায়। যার মাধ্যমে আমি আলোর মুখ দেখি তা ছিল আল-কুরআন ও রাসূলুল্লাহ (সা)-এর হাদীস। কুরআনের শাশ্বত বাণী কোন এক সময় আমাকে মোহিত ও অভিভূত করে এবং রাসূলের (সা) হাদীস আমাকে শত শত প্রশ্নের সমাধান দিতে সাহায্য করে।


বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে আমি যখন কুরআনের বাণী ও রাসূলুল্লাহর হাদীসকে বৈজ্ঞানিক যুক্তি তথ্যের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে দেখেছি, তখন এর মাঝে সৃষ্টি তথ্যের নিগূঢ় রহস্য খুঁজে পেয়ে স্রষ্টার প্রেমাবেগে মুগ্ধ হয়ে যাই। এর ফলে স্রষ্টা মহা মহিয়ানকে কিভাবে যে প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা জানাব তার ভাষা খুঁজে পাইনি। কিন্তু আল্লাহর মহিমা ও প্রজ্ঞা এতো অসীম যা অনেক সময় বিজ্ঞানের যুক্তি সীমাও ছাড়িয়ে যায়।

Contact Us:
Inside Dhaka:
2-3 working days
Outside Dhaka:
3-5 working days
Cash on Delivery :
Available
Refund Rules:
Within 7 DaysView Policy
Payment: