প্রকাশকের কথা
অনন্ত দয়ায় বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম ‘মাইজভাণ্ডার'র ভূবনময় পরিচিতি “মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফ" নামে। এক সময়ের অচেনা-অজ পাড়ার মাইজভাণ্ডার গ্রাম বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (দ.)'র যোগ্যতম উত্তরসুরী খাতেমুল আউলিয়া, গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ (ক.) আবির্ভাবের স্থানের কারণে এতো সুপরিচিতি। গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (ক.) বেলায়তে মোকাইয়াদায়ে মোহাম্মদী তথা বিধি- বিধান প্রভাবিত ঐশী প্রেমধারার সমাপ্তি দানকারী এবং বেলায়তে মোল্লাকা তথা অর্গলমুক্ত ঐশী প্রেম জোয়ারের দ্বার উন্মোচনকারীর যুগপৎ অধিনায়কত্ব এবং দায়িত্ব পালন করায় তিনি খাতেমুল অলদ হিসেবে সম্বোধিত। অর্থাৎ তিনি বেলায়তে মোত্পাকা যুগের সকল অলির সনদদাতা। বেলায়তে মোলাকার সীল মোহর তাঁর জিম্মা এবং তদারকিতে সংরক্ষিত। 'লেওয়ায়ে আহমদী'র ঝাণ্ডা তাঁর পবিত্র হস্তে সমর্পিত।
বাংলাদেশের জমিন থেকে বাংলা ভাষায় প্রবর্তিত একমাত্র সুফি সাধনা পন্থা ‘মাইজভাণ্ডারীরা ত্বরিকা'র তিনি প্রবর্তক এবং মূল সূত্র। ‘মাইজভাণ্ডারীয়া ত্বরিকা'র সুক্ষ্ণ ধারণা সম্বলিত মূল গ্রন্থের নাম ‘বেলায়তে মোলাকা’। তাসাওউফ সম্পর্কে ইতোপূর্বে বাংলা ভাষায় এতো উচ্চ মানের মূল্যবান গ্রন্থ রচিত হয়নি। বাংলা ভাষায় রচিত হলেও 'বেলায়তে মোলাকাত গ্রন্থে তথ্য-উদ্ধৃতির সন্নিবেশ ঘটেছে আল-কোরআন, হাদিস শরিফ এবং পৃথিবী খ্যাত তাসাওউফ মনীষী'র বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে। ফলে বুঝা যায় 'বেলায়তে মোলাকা' গ্রন্থটি লেখকের ব্যক্তিগত ধারণা প্রসূত তাসাওউফ মতাদর্শ নয়। বরং এ গ্রন্থে