ভূমিকা
মহান আল্লাহ পাকের সৃষ্টি সকল মানুষদের মধ্য থেকে কিছু বিশেষ বিশেষ নেয়ামত দিয়ে মানুষ সৃষ্টি করেছেন। তাঁদের মধ্য থেকে বিশেষায়িত করে কয়েকজন নারী সৃষ্টি করেছেন যাঁদের গুণাগুণ তুলনা করা নবী করীম (সাঃ)-এর নগন্য উম্মতের সাধ্যের বাইরে। তাঁদের মধ্য থেকে উন্মুহাতুল মুমেনীনগণের ইতিহাস শুনতে ও জানতে প্রত্যেক মুসলমান চেষ্টা করেন ।
কোরায়েশ বংশের আব্দুল মোলিবের দুই পুত্র আবু তালিব ও আব্দুল্লাহ । আব্দুল্লাহ্র পুত্র বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর কন্যা হযরত ফাতেমা জোহরা । হযরত ফাতেমার গর্ভে এবং আবু তালিবের পুত্র হযরত আলীর ঔরসের দুই ধন হযরত ইমাম হাসান এবং ইমাম হুসাইন ।
আববদের তথা পবিত্র মক্কানগরীর ইতিহাসে আব্দুল মোত্তলিব ছিলেন একজন প্রভাবশালী কোরায়েশ নেতা ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব। মান-সম্মান, প্রভাব-প্রতিপত্তি ও শৌর্য-বীর্যে তিনি ছিলেন এক অন্যন্য প্রতিভা। হযরত আদম নবী হতে শুরু করে পুরুষানুক্রমে 'নূরে মোহাম্মদী' জনাব আব্দুল মোত্তালিবের কপালে এসেছিল। তারপর সে নূর আব্দূল্লাহ্র পেশানীতে স্থান লাভ করে এবং 'ঘুরতে মোহাম্মদীর' মাঝে ধূলার ধরণীতে আত্মপ্রকাশ করে ।
নূরে মোহাম্মদীর ধারক ও বাহক ছিলেন ছুরতে মোহাম্মদ (সাঃ) নূরে মোহাম্মদী সাল্লাল্লাহুর উজ্জ্বল আলোকে ঘুরতে মোহাম্মদী (সাঃ) -ও আলোকিত * নূৱান্বিত হয়ে গিয়েছিলেন। এমন কি, ছুরতে মোহাম্মদীর (সাঃ) নূরে মোহাম্মদীতে বিলীন বা ফানা হয়ে পড়েছিল। আর এ কারণেই ছুরতে মোহাম্মদীর (সাঃ) কোন ছায়া কোন ছায়া বা প্রতিবিম্ব ছিল না ।
ভাই দেখা যায়, আৰু তালিব ও আব্দুল্লাহর শোনিত প্রবাহ একই উৎস হতে প্রবাহিত হয়ে পরিশেষে হযরত আলী (রাঃ) ও হযরত ফাতেমা জোহরার (রাঃ) মাধ্যমে সাইয়্যেদেনা হযরত হাসান (ব্রাঃ) ও সাইয়্যেদেনা হযরত হুসাইস