যা না বললেই নয়
আল্লাহ তায়ালা আদি পিতা হযরত আদম (আঃ) হতে শুরু করে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) পর্যন্ত অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন। উদ্দেশ্য ছিল একটাই, তা হলো আত্মবিস্মৃত মানবজাতিকে সিরাতে মুস্তাকীম-এর নির্দেশনা দান ৷
আদি পিতা আদম (আঃ) ও বিবি হাওয়াকে দুনিয়ায় প্রেরণকালে মহান রাব্বুল আলামীন বলে দিয়েছেন— “দুনিয়াতে আমার পক্ষ হতে তোমাদের নিকট হেদায়াত যাবে । অনন্তর যারা তার অনুসারী হবে তাদের কোন ভয়
ও শঙ্কা থাকবে না ।
(সূরা বাক্বারা : ৩৮)
যুগে যুগে মানুষের হেদায়াতের জন্য নবী- ী-রাসূলদের আগমন মূলতঃ উক্ত প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন। সেই ধারাবাহিকতাই সমগ্র বিশ্বের জন্য আগমন করেন, সর্বশ্রেষ্ঠ মহান ব্যক্তিত্ব, মানবতার পরম বন্ধু ও নিখিল বিশ্বের অদ্বিতীয় নেতা, অবিসংবাদিত রাষ্ট্রীয় কর্ণধার ও আল্লাহর প্রিয়তম হাবীব বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ)।
তাঁর জীবনচরিত বিধৃত হয়ে আছে দুনিয়ার মহাবিপ্লবের চিরন্তন চাবিকাঠি আল্লাহর কালাম আল-কুরআনে এবং শত শত হাদীসগ্রন্থের মাধ্যমে । এটা যেন এক বিশাল মহাসমুদ্র। এই মহাসমুদ্র থেকে সামান্য এক কোষ পানি তুলে পাঠক সমাজের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি মাত্র। এতে সাফলতার দাবি করার মতো দৃষ্টতা আমার নেই । তবে গ্রন্থখানি যদি পাঠক সমাজে সমাদৃত হয়, তবে আমার বা আমাদের এই পরিশ্রম সার্থক
ও সফল হবে।
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ)-এর জীবনী গ্রন্থটির প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটায় এতে কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল-ত্রুটি থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয় । এতদসত্ত্বেও যদি কোন ভুল, ত্রুটি-বিচ্চুতি পাঠক সমাজের দৃষ্টিগোচর হয় তবে আমাদেরকে অবগত করালে পরবর্তী সংস্করণে সংশোধনের অঙ্গিকার করছি। পরিশেষে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের এ উদ্যোগ কবুল করেন। আমিন । প্ৰকাশক