2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

হাদীসে কিরতাস এবং হযরত উমর (রাঃ) এর ভূমিকা

Price:
৳180    ৳ 180.00

পেইজ:   128

ওজন:   0.2


ক্যাটাগরি:   

Charge:
ঢাকা সিটির মধ্যে ডেলিভারি চার্জ 59 টাকা
ঢাকা সিটির বাইরে ডেলিভারি চার্জ 99 টাকা

                                        بسم اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيم 

                                          সূচনা     

প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, যে তিনি ইসলামের মতো দ্বীন নিজের প্রিয় রাসূল (সা.)-এর মাধ্যমে নাযিল করেছেন। 'দ্বীন ইসলাম' অনেক দীপ্তি সহকারে নাযিল হয়েছে, কিন্তু আফসোস যে, খুব দ্রুতই বদনজরের শিকার হয়ে গেল। ঐ দ্বীন যা বিশ্বের তাবৎ জাতিসমূহের ভেদাভেদ ও বিভক্তিকে মুছে ফেলার জন্য উদয় হয়েছিল, দূর্ভাগ্যবশতঃ সেই দ্বীনকেই খণ্ড-বিখণ্ড করে ফেলার চেষ্টা ও তদবীর শুরু করে দেয়া হলো। যে দ্বীনটি শতধা বিভক্ত সমাজের ব্যক্তিবর্গের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্য সৃষ্টি করেছিল অথচ সেই দ্বীনেরই মধ্যে ভাই-ভাই হতে বিচ্ছিন্ন হতে লাগল। যে দ্বীনের হুজ্জাত দ্বারা বিশ্বের অন্যান্য দ্বীনগুলি পরাভূত হয়েছিল, কিন্তু আজ সেই দ্বীনের প্রতিই প্রত্যেক ছোট বড় সকলেই বৃদ্ধাংগুলি দেখাচ্ছে। দ্বীনের এমন করুণ অবস্থা দেখে বড়ই তাজ্জব লাগে এবং স্বাভাবিকভাবেই মনের মধ্যে প্রশ্ন জাগে যে, এমন করুণ পরিণতির কারণ কি? এটা কি দ্বীনেরই ত্রুটি নাকি দ্বীন কবুলকারীদের?উক্ত প্রশ্নের উত্তর তালাশ করার সময় সর্বপ্রথম 'দ্বীন' উপস্থাপনকারী ব্যক্তিত্ব ও তাঁর পরিবারবর্গ এবং আত্মীয়-স্বজনদের প্রতি দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়। তাঁদের ত্যাগ-তিতিক্ষা ও কুরবানীর প্রতি মনোনিবেশ করলে নির্দ্বিধায় স্বীকার করতে হয় যে, যে দ্বীনকে উপস্থাপনকারী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.)-এর মতো সত্যবাদী ও ন্যায়পরায়ন 'রাসূল' ছিলেন এবং পরবর্তীতে ইমাম আলী ইবনে আবু তালিব (কা.)-এর মতো দ্বীনের জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী ‘ইমাম' উপস্থিত ছিলেন, সে দ্বীনটি কোনোক্রমেই অসম্পূর্ণ বা মূল্যহীন হতে পারে না। আর দ্বীনটি যে 'পূর্ণাঙ্গ দ্বীন' তার সবচেয়ে বড় সাক্ষ্য ও প্রমাণ হচ্ছে কারবালার হৃদয় বিদারক ঘটনা। দ্বীনটি যদি মিথ্যা হতো অথবা তার মধ্যে যদি কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকত, তা'হলে জান্নাতে যুবকদের সরদার ইমাম হুসাইন ইবনে আলী কস্মিনকালেও কারবালার উত্তপ্ত মরু প্রান্তরে পরিবার-পরিজন সহ এতো বড় নজিরবিহীন মহান কুরবানী দিতেন না ।

म এবং (.)-এর ভূমিকা- ৮কিন্তু 'দ্বীন কবুলকারীদের ঘটনাবলীর প্রতি যখন দৃষ্টিপাত করা হয় তখন। সেখানে বড়ই তাজ্জবপূর্ণ এবং বেদনাদায়ক ঘটনাবলী চোখের সামনে ভেসে উঠে। কিন্তু বর্তমানে তথাকথিত 'দ্বীনের ওয়ারেশ দাবিদারগণ অনেকেই। এমন ঘটনাবলী শুনতে নারাজ, তারা ঐগুলোর পর্যালোচনা ও সমালোচনা করাকে পছন্দ করেন না এবং সেদিক থেকে দৃষ্টি সরিয়ে বিষয়টিকে এড়িয়ে চলতেই ভালোবাসেন। কোনো ব্যক্তি যদি হৃদয়ের প্রশান্তির জন্য অথবা 'হর' থেকে 'বাতিল'-কে পৃথক করার লক্ষ্যে ঐ সমস্ত ঘটনা পর্যালোচনা ও গবেষণা করেন তখন এই খোজ-খবর নেয়ার বিনিময়ে তাকে অনেক কঠিন মূল্য দিতেহয়।সত্য সন্ধ্যানীকে উক্ত গবেষণার জন্য বড় কঠিন ও দুর্গম পথ-ঘাট অতিক্রম করতে হয়। এমন দৃষ্টিভংগীগত বিরোধ এবং গবেষণার চেষ্টার কারণে প্রথম থেকেই ‘আহলে বাইতের অনুসারীদের বিরুদ্ধে ঘূর্ণিত প্রপাগাণ্ডা, গুজব, কুৎসিত পদক্ষেপ গ্রহণ চলে আসছে যে, এরা হলো রাফেজী, এরা সাহাবাদের প্রতি (মায়াজাল্লাহ) বিদ্রুপ করে, রাসূল (সা.)-এর বন্ধুগণের সমালোচনা করে, ইত্যাদি, ইত্যাদি। দুই-তিনজন সাহাবী ছাড়া রাসূল (সা.)-এর অবশিষ্ট সাহাবীগণকে এরা (মায়াজাল্লাহ) 'মুরতাদ', 'মুনাফিক' ও 'ফাসিক' ইত্যাদি গণ্য করে থাকে। কিন্তু একজন আল্লাহর বান্দাও ঈমানদারীর সঙ্গে এমন চেষ্টা করার কষ্ট গ্রহণ করেন না যে, এ অপবাদগুলির ভিত্তি কোথায়?আর এমন কথা চিন্তা করার কষ্টও করেন না যে, আসলে কি কারণে আহলে বাইতের অনুসারীরা রাসূল (সা.) ও আলে রাসূলের ভক্ত ও অনুসারী হয়েছে এবং তাঁর (সা.) উম্মতের কিছু ব্যক্তিবর্গের প্রতি সন্তুষ্ট থাকতে পারেনি? অথচ বিষয়টা তো স্পষ্ট যে, কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তির প্রতি কোনো আহলে বাইতের অনুসারীর ব্যক্তিগত শত্রুতা আছে বা না কোনো ফ্যাসাদ হয়েছে। কিন্তু তবুও মনমালিন্য বিদ্যমান। তা'হলে এর পিছনে কোনো না কোনো কারণ তো অবশ্যই আছে। আমি যখন আহলে বাইতের অনুসারীদের লিভুক্ত ছিলাম না তখন প্রায়শঃই আমাকে নসীহাত করা হতো যে, তারা হলো 'মরদুদ' ও 'বে-আদব'। তারা (মায়াজাল্লাহ) সাহাবায়ে কেরাম (রা.)- দেরকে গালি-গালাজ করে ও অভিসম্পাত করে থাকে। তারা বুজুর্গদের মূর্তি বানিয়ে পুড়িয়ে ফেলে (মায়াজাল্লাহ)। এটা করে, সেটা করে, নানা ধরণের। অভিযোগ শুনতাম। কিন্তু আমি যখন সাহস করে জিজ্ঞাসা করতাম যে, আরে তাই এতসব যে-আদৰি প্রদর্শন করার পিছনে কারণ কি? কিছু একটা কারণ।তো অবশ্যই হবে?

Contact Us:
Inside Dhaka:
2-3 working days
Outside Dhaka:
3-5 working days
Cash on Delivery :
Available
Refund Rules:
Within 7 DaysView Policy
Payment: